মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রাকৃতিক সম্পদ

খনিজ সম্পদ

 

ভোলা জেলায় প্রাপ্ত খনিজ সম্পদের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস অন্যতম। ১৯৮৬-৮৭ সালে গ্যাস অনুসন্ধানের পর জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাহবাজপুর নামক স্থানে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ঐ গ্যাস ফিল্ডটির ৩৬৩১ মিটার গভীর এ কূপ খনন করা হয়।কিন্তু অতিরিক্ত চাপের কারনে কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন স্থগিত রাখা হয়। পরবর্তীকালে ৩৩৪২ মিটার গভীরেSide tracking hole খনন করে বানিজ্যকভাবে গ্যাসি উত্তোলন করা হয় । ড্রিলিং বিশ্লেষনে দেখা যায় কূপটিতে ০.৫৯৩৮ টিসিএফ গ্যাস মজুদ রয়েছে যেখান থেকে ০.৩৩৪০ টিসিএফ গ্যাস উত্তোলনযোগ্য ।

 

বোরহানউদ্দিনে প্রাপ্ত গ্যাস ব্যবহার করে ৩৪.৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্নVenture Energy Resources Limited (A concern of Sinha-Medlar group) নামকএকটি পাওয়ার প্লান্ট গত মে, ২০০৯ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। প্লান্টটিপ্রতিদিন ১০মিলিয়ন স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক ফিট গ্যাস ব্যবহার করছে।গৃহস্থালীতে গ্যাস সংযোগের জন্য বর্তমানে সরকার অবকাঠামো তৈরি করছে। যদিওগত ডিসেম্বর, ২০১০ এর মধ্যে গৃহস্থালীতে গ্যাস সংযোগ দেয়ার কথা ছিল, কিন্তুঅবকাঠামো নির্মানে বিলম্ব হওয়ায় এখনও গ্যাস সংযোগ দেয়াসম্ভব হয়ে ওঠেনি।

এছাড়াও বর্তমানে আরও ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন  একটি বিদ্যৎ প্লান্ট তৈরি হচ্ছে।ভোলার প্রাপ্ত গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে শিল্পায়ন সহ এ জেলার জনগনের জীবন মানোন্বনসহ দেশের  অর্থনৈতিক উন্নয়ণ সম্ভব।সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী ঢালচর নামক স্থানে ব্ল্যাক ডায়মন্ড আবিস্কৃত হয়েছে। বর্তমানে এলাকাটি সরকারি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। প্রকৃত ব্ল্যাক ডায়মন্ড উত্তোলন করতে পারলে ইহা দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখবে।

ছবি