মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

জাতীয় ব্যক্তিত্ব:

 

১.

বীরশ্রেষ্ঠশহীদ সিপাহীমোহাম্মদ মোস্তফা কামাল

পিতা:

মোঃ হাবিবুর রহমান খলিফা

মাতা:

মালেকা বেগম মাতববর

ঠিকানা:

বর্তমানে- আলীনগর, ভোলা সদর

জন্ম:

১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭ খ্রি

 

পিতার সঙ্গে কুমিল্লা সেনানিবাসে কাটে ছেলে বেলা,সৈনিকের প্যারেড দেখেই গড়ে ওঠে বিপ্লবী মানসিকতা। ১৯৬৭ সালে ১৬ই ডিসেম্বর ২০ বছর বয়সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। পট পরিবর্তনের একপর্যায়ে চাকুরি ত্যাগ করেন। ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল পাক সেনাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে অটল থেকে অবিরাম গুলি চালাতে থাকেন,করেননি আত্মসমর্পন,পশ্চাদপসরণ করতে সক্ষম হয় সকল সহযোদ্ধা,বেঁচে যায় তার পুরো কোম্পানী। ঘিরে ফেলে তাকে শক্ররা চতুর্দিক থেকে,শহীদ হন তিনি লড়তে লড়তে। মরনোত্তর অমর হয়ে থাকলেন বাঙ্গলি জাতির স্বাধীনতার প্রেক্ষাপটে।

 

১৭ এপ্রিল ১৯৭১ কুমিল্লা জেলার তেলিয়াপাড়া ও গঙ্গাসাগর এলাকায় পাকবাহিনীর সাথে যুদ্ধকালীন সময়ে মৃত্যুবরণ করেন।

 

 

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব:

 

১.

কবি মোজাম্মেলহক

 

পিতা:

 

 

 

মাতা:

 

 

ঠিকানা:

উত্তর বাপ্তা ইউনিয়ন, ভোলা সদর

 

জন্ম:

  
 

জাতীয় মঙ্গলের কবি মোজাম্মেল হকের বাড়ি ভোলা সদর হতে ৫ কিলোমিটার উত্তরে বাপ্তা ইউনিয়নে অবস্থিত। তার পুত্র এম মোকাম্মেল হক ভূমি সচিব এবং পরবর্তীতে বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠত হয়েছে। ভোলা জেলা সদরে বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক একমাত্র অনুষ্ঠান গৃহ কবি মোজম্মেল হক টাউন হল নামে প্রতিষ্ঠিত।

 

 

 

২.

মরহুম মোশারেফ হোসেন শাজাহান

 

পিতা:

মরহুম আলতাজের রহমান

  

মাতা:

মাসুমা খানম চৌধুরানী

 

ঠিকানা:

গ্রাম-দক্ষিণ চরনোয়াবাদ, ইউনিয়ন-বাপ্তা

 

জন্ম:

১৯ শে সেপ্টম্বর ১৯৩৯ খ্রি:

 
 

তিনি রাজনীতির পাশাপাশি একজন সাহিত্যিক, নাট্যকার ও নাট্যশিল্পী হিসেবেও পরিচিত। তার উপন্যাস-চর কলমীর সুখ দুঃখ, এষণা, সমান্তরাল, স্মৃতির ধুলায় পথিক, ভাগ্যবান, স্বপ্নের দ্বীপ, জোনাকীমন উল্লেখযোগ্য। তিনি মেষনা শিল্পী সংসদ নামে ভোলায় ষাটের দশকে নাট্য ভিত্তিক সংগঠন করেন।

  

৩.

কবি নাসির আহমেদ

 

পিতা:

মাওলানা আবদুল গফুর

  

মাতা:

  

ঠিকানা:

আলীনগর, ভোলা সদর

 

জন্ম:

০৫/১২/১৯৫২

 
 

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে এমএ পাস করেন। তিনি প্রধানত কবিতা লিখেন। কবিতার জন্য ত্রয়ী পদক ১৯৮৭ ও কবি মোজাম্মেল হক পদক ১৯৯১ পেয়েছেন। এছাড়া তিনি রেডিও বাংলাদেশ ও বিটিবির প্রথম শ্রেনির গীতিকার হিসেবে তালিকাভূক্ত। বর্তমানে তিনি সমকালের ফিচার সম্পাদক এবং কবি।

 
 

-

  
   
    
   
   
   
   
    

 

৫.

অধ্যক্ষ ফারুকুর রহমান

 

পিতা:

  

মাতা:

  

ঠিকানা:

ভোলা সদর

 

জন্ম:

২০/৪/১৯৪৯

 

খ্যাতির কারন:

১৯৭৩ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ও সাহিত্যে এমএ পাশ করেন। ১৯৭৪ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত সরকারি ফজিলাতুন নেসা মহিলা কলেজ এবং ১৯৮৭ সালের ১লা এপ্রিল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। আবৃত্তিকার, নাট্যশিল্পী হিসেবে শতাধিক নাটকে অংশগ্রহণ করেন।

 
 

-

চিত্র:অধ্যক্ষ ফারুকুর রহমান

 

6.

এ কেমকবুল আহমেদ

 

পিতা:

   

মাতা:

  

ঠিকানা:

ভেলুমিয়া, ভোলা সদর

 

জন্ম:

১৩৩৮ বাং

 

খ্যাতির কারন:

গাঁয়ের মেয়ে, স্বীকৃতি, রোদ, বৃষ্টিঃঝড়(নাটক), আকাশঃমাটি(কবিতা), পথে বিপথে(চরিত্র চিত্রন), আদিম রহস্য উপন্যাস, লতা বৌদি, নষ্ট যুবরাজ(গল্প),নজরুল প্রভৃতি বইয়ের রচিয়তা

 

মৃত্যু:

-

এ কে মকবুল আহমেদ

 

7.

মোঃ হোসেন চৌধুরী

 

পিতা:

আশেক আলী চৌধুরী

  

মাতা:

  

ঠিকানা:

গজারিয়া, লালমোহন

 

জন্ম:

২৩/১০/১৯৪০

 

খ্যাতির কারন:

ভোলা জেলার ইতিহাস, মাইজ্যা মিয়ার উপাখ্যান,জিয়ারতে কাবা শরীফ, নৈতিকতার করিডোর

 

মৃত্যু:

-

মোঃ হোসেন চৌধুরী

 

 

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব:

 

1.

তোফায়েল আহমেদ

পিতা:

মৃত মৌলভী আজাহার আলী

মাতা:

ফাতেমা খানম

ঠিকানা:

গ্রাম-কোড়ালিয়া, ইউনিয়ন-দক্ষিণ দিঘলদী

জন্ম:

২২/১০/১৯৪৩

 

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে এমএসসি পাশ করেন। ১৯৬৬-৬৭ সালে ইকবাল হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬৭-৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকসুর ভিপি থাকাকালীন উনসত্তর এর গনঅভ্যুথ্থানের নেতৃত্ব দেন। ১৯৭০ সনের জাতীয় নির্বাচনে ন্যাশনাল এসেন্মলির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের তিনি ছিলেন অন্যতম সংগঠক। মুজিব বাহিনীর অঞ্চল ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের তিনি ছিলেন একজন। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একজন প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় তাকে তার রাজনৈতিক সচিব নিযুক্ত করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬, ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালে পর পর তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি প্রাক্তন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক। তিনি সর্বশেষ ২০০৮ সালে ভোলা ২ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বর্তমানে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও শিল্প মন্ত্রনালয়ের সংসদ বিষয়ক কমিটির সভাপতি।এছাড়া বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রীপরিষদের তিনি শিল্প ও গৃহায়ন গণপূর্ত মন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। তোফায়েল আহমেদ তিনি এ পর্যন্ত ভোলায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধমীয় প্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করেছেন।

 

 

2.

মরহুম মোশারেফ হোসেন শাহজাহান

পিতা:

মরহুম আলতাজের রহমান

 

মাতা:

মাসুমা খানম চৌধুরানী

ঠিকানা:

গ্রাম-দক্ষিণ চরনোয়াবাদ, ইউনিয়ন-বাপ্তা

জন্ম:

১৯ শে সেপ্টম্বর ১৯৩৯ খ্রি:

 

প্রাক্তন পানি সম্পদ ও ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক।

 

3.

মরহুম নাজিউর রহমান মন্জু

পিতা:

বজলুর রহমার মিয়া

 

মাতা:

 

ঠিকানা:

দৌলতখান, ভোলা

জন্ম:

৩০/০৬/১৯৪৮

 

তিনি বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সদস্য ওহুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ১৮ দফা বাস্তবায়ন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি থেকে ভোলা আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এবং সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ভোলা উণ্নয়নে ব্যপক কর্মকান্ড করেছেন।

   

4.

ডাঃ  আজাহার উদ্দিন আহমদ

পিতা:

মরহুম গোলাম রহমান পাটোয়ারী

 

মাতা:

 

ঠিকানা:

 

জন্ম:

১৩অক্টোবর, ১৯১৩ খ্রি.

 

তিনি অল ইন্ডিয়া মেডিকিল লাইসেন্শিয়েট এসোসিয়েশনের বরিশাল

জেলার সভাপতি ছিলেন। ১৯৬৩ ও ১৯৬৫ সালে দু’বার প্রাদেশিক

পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিরোধী দলের ডেপুটি লিডার

হিসেবেদায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে আওয়ামীলীগের পক্ষ হতে

জাতীয়পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ষাটের দশকে বাঙ্গালীর পক্ষে

পার্লামেন্টেজোরালো কন্ঠে কথা বলায় তার ভূমিকা ছিল অগ্রণী।

   

৫.

মেজর(অব:) হাফিজ উদ্দিন (বীর বিক্রম)

পিতা:

ডা: আজহার উদ্দিন আহমেদ

 

মাতা:

 

ঠিকানা:

লালমোহন, ভোলা

জন্ম:

২৯/১০/১৯৪৪

 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বীর বিক্রম খ্যাতি প্রাপ্ত হন। ভোলা-৩ আসন থেকে ছয় বার এম.পি. নিবাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সরকারের সাবেক পানিসম্পদ ও বাণিজ্য  মন্ত্রী ছিলেন। তার জাতীয় দলের কৃতি খেলোয়ার হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।

 

6.

বিপ্লবী কমরেড নলিনী দাশ

পিতা:

  

মাতা:

 

ঠিকানা:

উত্তর শাহবাজপুর, ভোলা

জন্ম:

১লা জানুয়ারী

 

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অগ্রগামি সৈনিক ছিলেন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্য তাকে আন্দামানে দ্বীপান্তর দেয়া হয়। তিনি আন্দামান কারাগার থেকে পালিয়ে এসে আবারো আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরেন।

 

৭.

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

৮.

জনাব আন্দালিভ রহমান

 

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- বি জে পি

 

 

 

 

 

 

এডভোকেট ইউছুফ হোসেন হুমায়ুন

পিতা:

মোবারক আলী উকিল

 

মাতা:

 

ঠিকানা:

দৌলতখান, ভোলা

জন্ম:

বরিশাল

খ্যাতির কারন:

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য ও সাবেক এম.পি.

 

৯.

আজিজুদ্দিন আহমদ

পিতা:

মরহুম মৌলভী আবদুল লতিফ

 

মাতা:

 

ঠিকানা:

দৌলতখান,ভোলা

জন্ম:

১৮৯৭খ্রি.

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও বিএল ডিগ্রী লাভ করে আইণ পেশায় যোগ দেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে সাফল্য অর্জন করেন। ১৯৪৭ সালে প্রথম পাকিসত্মানের গণপরিষদের সদস্য হন, ১৫৫১ সালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দেন আওয়ামী-লীগের প্রার্থী হিসাবে ১৯৫৮ সালে উপ-নির্বাচনে পাকিসত্মানের জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।

মৃত্যু:

১০জুলাই ১৯৬৮।

 

১০.

আবদুল হাই চৌধুরী

পিতা:

মৌলভী মোহাম্মদ ইসলাম চৌধুরী

 

মাতা:

 

ঠিকানা:

দৌলতখান, ভোলা

জন্ম:

 
 

১৯৪৩ সনে তৎকালীন বৃটিশ ভারতীয় গভর্ণমেন্টের সিভিল পাইওনিয়ার ফোর্সে কমিশন লাভ করেন এবং দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। ১৯৬৪ সনে কোপেনহেগেনে জাতীয় পরিষদ সংঘের আমর্ত্মজাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহন করেন। ১৯৬৫ সনে পূর্ব পাকিসত্মানের প্রাদেশিক আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহন করেন।

মৃত্যু:

৯সেপ্টেম্বর ১৯৭৬

 
     

 

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব:

 
  1. এম. মোকাম্মেল হক

পিতা:

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক

 

মাতা:

হালিমা খাতুন

ঠিকানা:

গ্রাম- উত্তর বাপ্তা , ইউনিয়ন- বাপ্তা

জন্ম:

১৯/০১/১৯৩৮

 

১৯৬০ সালে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় তৎকালীন পাকিস্থানে  প্রথম স্থান অধিকার করেন। তিনি ১৯৬৭ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্স থেকে ডেভেলাপমেন্ট এডমিনিস্ট্রেসন বিষয়ে ডিস্টিংসহ ডিপ্লোমা অর্জন করেন। ১৯৭০ সালের ভোলার প্রলয়ংকারী ঘূর্নি ঝড়ে নিরলস ত্রান তৎপরতা চালিয়ে দেশে বিদেশে প্রশংসিত হন। তিনি ৪টি জেলার জেলা  প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৪টি মন্ত্রনালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি পূর্ন মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রাক্তন বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন।